
ক্রীড়া ডেস্ক ॥ ফুটবল বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথমবার ঘটতে যাচ্ছে এমন এক রোমাঞ্চকর ঘটনা, যা আগে কখনো দেখেনি বিশ্ববাসী। আগামী রবিবার (১৯ জুলাই) নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে যখন স্পেন আর আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে, তখন তাদের সামনে কেবল সেই সোনালী ট্রফি আর স্বর্ণপদক জয়ের লড়াই থাকবে না। প্রথমবারের মতো বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে উঠবে এক অনন্য সম্মান যা চিরকাল তাদের আঙুলে জ্বলজ্বল করবে।
বিশ্ব ফুটবলে নতুন এক যুগের সূচনা করে ফিফা এবার চ্যাম্পিয়নদের জন্য নিয়ে আসছে ঐতিহ্যবাহী চ্যাম্পিয়নশিপ রিং। আমেরিকান ক্রীড়া সংস্কৃতির অন্যতম জনপ্রিয় এই ঐতিহ্যকে এবারই প্রথম কোনো ফিফা টুর্নামেন্টে যুক্ত করা হচ্ছে, যা ফুটবল বিশ্বে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।
এই স্মরণীয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে মাত্র ২,০২৬টি বিশেষভাবে নম্বরযুক্ত রিং। সংখ্যাটি সরাসরি ২০২৬ সালের ঐতিহাসিক এই বিশ্বকাপকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই সীমিত সংস্করণের রিংগুলোর মধ্যে মাত্র ৩০টি তুলে দেওয়া হবে চ্যাম্পিয়ন দলের গর্বিত সদস্যদের হাতে। আর বাকি ১,৯৯৬টি রিং বিশ্বের নানা প্রান্তের ফুটবল ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, যাতে সাধারণ সমর্থকেরাও এই ইতিহাসের একটি অংশ নিজের করে রাখার সুযোগ পান।
চ্যাম্পিয়নশিপ রিংটির নকশায় রয়েছে নিখুঁত শৈল্পিকতার ছোঁয়া। রিংয়ের একপাশে খোদাই করা থাকবে বিশ্বকাপের চিরচেনা সেই সোনালী ট্রফি। আর অন্যপাশটি সাজানো হবে ফাইনালে জয়ী দলের নিজস্ব পরিচয় ও নকশা দিয়ে। প্রতিটি রিং খেলোয়াড়দের আঙুলের মাপ অনুযায়ী বিশেষভাবে তৈরি হবে এবং সঙ্গে থাকবে একটি করে সত্যতা যাচাইয়ের সার্টিফিকেট।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সাথে সাথেই ফুটবল বিশ্বের নতুন চ্যাম্পিয়নদের ঘোষণা করা হবে। মাঠের সেই আনন্দ আর উত্তেজনার মধ্যেই বিজয়ী দলের অধিনায়ক এবং প্রধান কোচের হাতে তুলে দেওয়া হবে সাময়িক তৈরি দুটি রিং। এরপর পুরো বিজয়ী স্কোয়াডের ৩০ জন সদস্যের জন্য তাদের মাপ অনুযায়ী রিংগুলো বিশেষভাবে তৈরি করে পরবর্তীতে এক জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।







One Comment