
নিজস্ব প্রতিনিধি॥ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় আছেন জুয়েল আহমেদ। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন-সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে এখন যে ক’টি নাম বেশি উচ্চারিত হচ্ছে-তাদের মধ্যে অন্যতম সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক জুয়েল আহমেদ।
দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও ক্রীড়ামূলক কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। স্থানীয় তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সম্পৃক্ততার কারণে এলাকায় ইতোমধ্যে একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে তার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন জুয়েল আহমেদ। সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করার কারণে তিনি তরুণ ভোটারদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, “জুয়েল আহমেদ সবসময় মানুষের পাশে থাকেন। কোনো মানুষ সমস্যায় পড়লে তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন। এজন্য চেয়ারম্যান পদে তাকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।” বিশেষ করে ক্রীড়াঙ্গনে তার অবদান স্থানীয়ভাবে বেশ প্রশংসিত।
বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজন, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করায় তাকে একজন তরুণ ও উদ্যমী সংগঠক হিসেবে দেখছেন অনেকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় জনপ্রিয়তা, সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ততা এবং তরুণদের সমর্থন আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়নি, তবে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তার সমর্থকদের মধ্যে ইতোমধ্যে নির্বাচনী আমেজ দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে জুয়েল আহমেদ বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এলাকার উন্নয়ন, যুবসমাজের কল্যাণ ও সাধারণ মানুষের সেবার মানসিকতা থেকেই কাজ করছি।
এলাকার মানুষ চাইলে ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই।” আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে রাজনৈতিক তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই চেয়ারম্যান পদে সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক জুয়েল আহমেদের নাম এখন স্থানীয় রাজনীতিতে বেশ আলোচিত হয়ে উঠেছে।






