কানাডায় নৈশভোজ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আড্ডা

কানাডায় নৈশভোজ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আড্ডা

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কানাডার স্পাইসি গ্রিল পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক নৈশভোজ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আড্ডা। হবিগঞ্জ এসোসিয়েশন অব অন্টারিওর প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব খান ইমরুল চৌধুরীর সার্বিক সৌজন্যে সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনটির সেক্রেটারি কায়েছ চৌধুরী।

কানাডাপ্রবাসী হবিগঞ্জবাসী ও বিশিষ্ট সুধীজনদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক আন্তরিক মিলনমেলায়। সুস্বাদু খাবার, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, গান এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সন্ধ্যাটি হয়ে ওঠে আনন্দমুখর ও স্মরণীয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আয়োজক খান ইমরুল চৌধুরী উপস্থিত অতিথিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তার উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক আতিথেয়তায় অতিথিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রবাসে বসবাসরত হবিগঞ্জবাসীকে এক ছাদের নিচে একত্রিত করার এ উদ্যোগকে উপস্থিত সবাই প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর প্রেসিডেন্ট এবাদ চৌধুরী, হবিগঞ্জ এসোসিয়েশন অব অন্টারিওর সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম আযাদ, সাবেক সেক্রেটারি রাফি আর চৌধুরী, কিবরিয়া আহমেদ, জাকাউল বারি খোকন, হুমায়ুন কবিরসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা প্রবাসে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ধরনের উদ্যোগ প্রবাসী হবিগঞ্জবাসীর মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নৈশভোজের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয় এক ঘরোয়া সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার। স্থানীয় শিল্পীদের গান ও প্রাণবন্ত আড্ডায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। এ ছাড়া হবিগঞ্জে প্রস্তাবিত হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের জন্য তহবিল সংগ্রহসহ বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বিষয় নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব আয়োজন অনুষ্ঠানে যোগ করে ভিন্নমাত্রা।
স্পাইসি গ্রিলের সুপরিচিত ও মুখরোচক বিভিন্ন পদের খাবার দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। সুস্বাদু নৈশভোজ, মনোরম পরিবেশ এবং আন্তরিক আতিথেয়তা সব মিলিয়ে অতিথিদের জন্য সন্ধ্যাটি হয়ে ওঠে উপভোগ্য ও স্মরণীয়।

আয়োজক খান ইমরুল চৌধুরী তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “আমরা কাজের ব্যস্ততায় নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা প্রায় ভুলতে বসেছি। এ ধরনের পারস্পরিক মিলনমেলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন আমাদের সামাজিক বন্ধন ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার ইচ্ছা রয়েছে।”

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান আয়োজক খান ইমরুল চৌধুরী। আনন্দঘন পরিবেশ, সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় ও প্রীতিপূর্ণ নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। প্রবাসে বসবাসরত হবিগঞ্জবাসীর মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন জোরদার করার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন- সৌদি আরবের আইন মেনে চলার আহ্বান

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নামাজের সময়সূচি
বর্তমান সময়
লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...
পরবর্তী নামাজ: লোড...
ফজর --:--
যোহর --:--
আসর --:--
মাগরিব --:--
ইশা --:--
সময় গণনা হচ্ছে...