
নিজস্ব প্রতিনিধি॥ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসানের সরকারি গাড়িতে একটি দ্রুতগতির কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে কাভার্ডভ্যানটি ইউএনওর গাড়ির পেছনে থাকা একটি প্রাইভেটকারকেও ধাক্কা দেয়। এতে তিনটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে ইউএনও সামান্য ব্যথা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ইটাখোলা সাহেববাড়ি এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সভায় যোগ দিতে ইউএনও মেহেদী হাসানকে নিয়ে সরকারি গাড়িটি মাধবপুর থেকে হবিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। পথে ইটাখোলা সাহেববাড়ি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যান অন্য একটি গাড়িকে ওভারটেক করার সময় ভুল পাশে চলে আসে। এ সময় কাভার্ডভ্যানটি ইউএনওর সরকারি গাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয়।
ধাক্কার পর কাভার্ডভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউএনওর গাড়ির পেছনে থাকা একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ইউএনওর সরকারি গাড়ি, কাভার্ডভ্যান ও প্রাইভেটকারের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে বলে জানা গেছে।
ইউএনওর গাড়িচালক ফারুক মিয়া বলেন, ‘ইউএনও স্যারকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্রই বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যান অন্য একটি গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে ভুল পাশে এসে আমাদের গাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে আমাদের গাড়ি ও কাভার্ডভ্যানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে কাভার্ডভ্যানটি আমাদের গাড়ির পেছনে থাকা আরেকটি প্রাইভেটকারকেও ধাক্কা দেয়।’
ইউএনও মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘বেপরোয়া কাভার্ডভ্যানটি ভুল পাশে এসে আমার গাড়িতে ধাক্কা দেয়। তবে আমি সামান্য ব্যথা পেয়েছি।’
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার এসআই সৈয়দ ইমরুল সাহেদ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত কাভার্ডভ্যানটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্য গাড়িটি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই চলে গেছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে বেপরোয়া গতিতে ওভারটেকিংয়ের সময় কাভার্ডভ্যানটি ভুল পাশে চলে যাওয়াকেই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে জানা গেছে।







2 Comments