নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটে আদালতে যাওয়ার পথে এক পরিবারের তিন সদস্যকে ‘ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর’ অভিযোগ উঠেছে দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম আল-মামুন ও কনস্টেবল রহুল আমীনকে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে পোস্ট দিয়ে নানা মন্তব্য প্রকাশ করছেন।
ভুক্তভোগীরা হলেন- জেলার চুনারুঘাট উপজেলার কালিশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া, তার ভাই ইউনুস মিয়া ও ইউনুস মিয়ার মেয়ে জাসমিন আক্তার। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। ঘটনাটি যদি সাজানো হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের ব্যত্যয় ঘটতে দেওয়া হবে না। ওসি আরও বলেন, বিভাগীয় ব্যবস্থা ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চলাচলের রাস্তা নিয়ে ছায়েদ মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ছায়েদ মিয়া, ইউনুস মিয়া ও জাসমিন আক্তার একটি মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তারা উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বগাডুবী রেললাইনের মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ তাদের গতিরোধ করে।
এসময় এসআই মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তল্লাশির নামে তাদের হয়রানি করেন। একপর্যায়ে পকেটে জোর করে ইয়াবা ঢুকিয়ে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নেওয়া হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে এলাকাবাসী চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
আরও পড়ুন- শায়েস্তাগঞ্জে দোকান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মামুন চৌধুরী, বার্তা সম্পাদক: ইসলাম উদ্দিন