শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ র্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিসহ ২ জন ১২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পুটিয়া গ্রামের মোঃ জিয়াউর রহমান এনাম (২৮) ও কাজল মিয়া (৩০)।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৯ সিলেট মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
র্যাব জানায়, এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অলিপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ অভিযানে শায়েস্তাগঞ্জে গণধর্ষণ মামলায় এজাহারনামীয় ১ ও ৪ নং পলাতক আসামিকে ১২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার হয়।
পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃতদেরকে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার আহমদপুর এলাকার বাসিন্দা।
তার সন্তানদের নিয়ে উপজেলার অলিপুর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। তিনি বিভিন্ন মানুষের বাসায় কাজ করে সন্তানদের নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।
ঘটনার দিন ২৩ এপ্রিল রাতে তার পিতার বাড়িতে যাওয়ার জন্য অলিপুর টমটম গাড়ি স্ট্যান্ডে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
পরবর্তীতে পূর্ব পরিচিত জিয়াউর রহমান এনাম ও রুকন মিয়া তার কাছে এসে কোথায় যাবেন জিজ্ঞাসা করে। এ সময় তিনি পিতার বাড়ি যাবেন জানালে তারাও সেদিকে যাবে বলে জানায়।
কিছুক্ষণ পর একটি টমটম গাড়ি আসলে তিনি তাদের সঙ্গে টমটম গাড়িতে ওঠেন। টমটম গাড়ির ড্রাইভার পুটিয়া গ্রামের ইটের সলিং রাস্তার উপর সবাইকে নামিয়ে দিয়ে চলে যান।
পরে তারা তাকে পিতার বাড়ির রাস্তা দেখিয়ে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে পুটিয়া গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে গিয়ে পর্যায়μমে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে।
তারপর তাকে জিয়াউর রহমানের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন তিনি ভোরবেলা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে কৌশলে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় তিনি নিজে বাদী হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মামুন চৌধুরী, বার্তা সম্পাদক: ইসলাম উদ্দিন